সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

টাঙ্গুয়ার হাওরে অযত্নে মরছে বন বিভাগের বৃক্ষ

  • আপলোড সময় : ১২-০৩-২০২৫ ১০:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৩-২০২৫ ১০:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
টাঙ্গুয়ার হাওরে অযত্নে মরছে বন বিভাগের বৃক্ষ
বিশেষ প্রতিনিধি :: টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন গোলাবাড়ি কান্দায় বনবিভাগ কর্তৃক ২৫ হেক্টর ভূমিতে লাগানো বৃক্ষ মারা যাচ্ছে। ভুল সময়ে ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতিতে বৃক্ষ লাগানো এবং পরিচর্যার অভাবে অযতেœ বৃক্ষগুলো মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা টাঙ্গুয়ার কান্দায় লাগানো বৃক্ষের পরিচর্যার দাবি জানিয়েছেন। সুনামগঞ্জ বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মাস খানেক আগে জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন ভূমিতে টাঙ্গুয়ার হাওরের কান্দায় হিজল-করচের ৪০ হাজার বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। বন বিভাগের রাজস্ব খাতের বরাদ্দ থেকে এই বৃক্ষ রোপণ করা হয়। উল্লেখ্য ২ বছর আগে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে একই হাওরের ইকইড়দাইড় কান্দায় বন বিভাগ জলবায়ু তহবিলের টাকায় বৃক্ষ লাগিয়েছিল। সেই বৃক্ষও মারা গেছে। এবারও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা, হাওরের জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও বর্ষায় ঢেউয়ের আঘাত থেকে গ্রামগুলোকে রক্ষার উদ্দেশ্যে এই বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বন বিভাগ। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে টাঙ্গুয়ার হাওরের গোলাবাড়ি ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন কান্দায় গিয়ে দেখা যায়, কয়েক হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে কান্দা সংলগ্ন শুকনো মাটিতে। এই স্থান বর্ষায় পানিতে ডুবে থাকে। বৃক্ষ রোপণের পর চারদিকে বাঁশ দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। কাছে গিয়ে দেখা যায়, প্রচুর চারা মারা যাচ্ছে। তীব্র রোদের কারণে শুকিয়ে গেছে রোপণ করা চারা। রোপণের পর গাছের গোড়ায় পানি না দেওয়া ও পরিচর্যা না করায় মারা যাচ্ছে রোপণ করা বেশিরভাগ বৃক্ষ চারা। এতে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। জয়পুর গ্রামের কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, এখানে উঁচু জাগা। মাটি শুকাইয়া গেছেগা। লেছুমারা কান্দায় গাছ লাগাইলে ভেজা মাটি আছিল। গাছ আশি ভাগ বাঁচতো। ই গাছ অর্ধেকও বাঁচতো না। একই গ্রামের আলমগীর আলম বলেন, এখন গরমের সিজন। চারদিক টনটনা শুকনা। গাছের গুরিত পানি দিলে গাছ বাচতোনা। না অইলে মারা যাইবো। জয়পুর গ্রামের পরিবেশ কর্মী আহমদ কবীর বলেন, ওয়াচ টাওয়ার এলাকায় কয়েক হাজার চারা লাগানো হয়েছে। এটা হাওরের জন্য ভালো। কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে বৃক্ষ রোপণ করায় এবং রোপণ পরবর্তী পরিচর্যা না করায় বৃক্ষগুলো মারা যাচ্ছে। সুনামগঞ্জ বনবিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার সাদ উদ্দিন বলেন, জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন ২৫ একর ভূমিতে আমরা রাজস্ব বাজেট থেকে অল্প বরাদ্দে ৪০ হাজার বৃক্ষ লাগাচ্ছি। এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে। বৃক্ষ রোপণের মওসুম না হলেও মাটি ভেজা আছে। আমাদের একজন প্রতিনিধি সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। তবে স্থানীয়দের গরু-বাছুর বেষ্টনি দেওয়া এলাকায় ঢুকে গাছের চারা নষ্ট করছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স